খেলোয়াড় হিসেবে অধ্যায় শেষ হলেও জাতীয় দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি আশরাফুল ইসলাম রানার। অবসর নেওয়ার পর থেকেই লাল-সবুজের দলে কাজ করার আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই সুযোগই পেলেন দেশের সাবেক এই গোলরক্ষক। জাতীয় দলে ফিরেছেন তিনি, তবে এবার আর খেলোয়াড় হিসেবে নয়—গোলরক্ষক কোচের দায়িত্বে।
আগামী ২৬ মার্চ ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ এবং ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচ সামনে রেখে রোববার থেকে ক্যাম্প শুরু করেছেন প্রধান কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা। সন্ধ্যায় ২৭ জন ফুটবলার দলের ম্যানেজার আমের খান–এর কাছে রিপোর্ট করেছেন। ঢাকার ক্যাম্পে ডাক পাওয়া ২৮ জনের মধ্যে শামিত সোম গভীর রাতে এসে পৌঁছানোর কথা।
দলের বড় তারকা হামজা চৌধুরী সরাসরি ভিয়েতনামে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। ২১ মার্চ ঢাকা থেকে ভিয়েতনামের উদ্দেশে রওনা দেবে বাংলাদেশ দল। সেখানে ২৬ মার্চ প্রীতি ম্যাচ খেলার পরদিনই দল উড়ে যাবে সিঙ্গাপুরে, যেখানে ৩১ মার্চ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিকদের।
বাংলাদেশ ফুটবলে গোলরক্ষক হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আশরাফুল ইসলাম রানা। ২০১৪ সালে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব–এর জার্সিতে আলোচনায় আসেন তিনি। পেশাদার ফুটবল খেলার জন্য এক সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চাকরিও ছেড়ে দিয়েছিলেন। ক্যারিয়ারে আবাহনী লিমিটেড ঢাকা ও বসুন্ধরা কিংস বাদে দেশের প্রায় সব বড় ক্লাবেই খেলেছেন এই গোলরক্ষক।
জাতীয় দলের জার্সিতে রানার শেষ ম্যাচ ছিল ২০২১ সালে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ–এ নেপালের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে ৭৯ মিনিটে আনিসুর রহমান জিকো লালকার্ড দেখলে কোচ তাকে মাঠে নামান। এরপর দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের সঙ্গে আর সম্পৃক্ত ছিলেন না রানা।
অবশেষে নতুন দায়িত্ব নিয়ে আবারও লাল-সবুজের ডেরায় ফিরলেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। এবার তার লক্ষ্য, বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের গোলরক্ষকদের গড়ে তোলা।




