অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আগামী ১ মার্চ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এশিয়ান নারী ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর। ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো এএফসি নারী এশিয়ান কাপ-এ অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী জাতীয় ফুটবল দল। এই অর্জনকে দেশের ফুটবলের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করে নারী দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের শুভকামনা জানিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
নবনিযুক্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই মেয়েরা এই জায়গায় পৌঁছেছে। দক্ষিণ এশিয়ার সীমা পেরিয়ে এশিয়ার সেরা দলগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে নারী ফুটবলের অগ্রযাত্রার পাশাপাশি ক্রীড়াবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে সরকার।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জয় বা পরাজয়ের বাইরে দলের লড়াকু মানসিকতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবে। দেশের জন্য হৃদয় দিয়ে খেলাই হবে সবচেয়ে বড় সাফল্য।
এই টুর্নামেন্ট বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কারণ এখানকার পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করেই ২০২৭ সালের ফিফা নারী বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। কোচ পিটার বাটলার-এর অধীনে ইতোমধ্যে নিবিড় অনুশীলনে ব্যস্ত রয়েছে দল। ১ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত চলা এই আসরে এশিয়ার সেরা ১২টি দেশ অংশ নেবে।
নারী এশিয়ান কাপ খেলতে আজ রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন আফঈদা খন্দকার, ঋতুপর্ণা চাকমাসহ পুরো দল। টুর্নামেন্টটি অস্ট্রেলিয়ার তিনটি শহরে অনুষ্ঠিত হবে।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী উত্তর কোরিয়া নারী ফুটবল দল, চীন নারী ফুটবল দল এবং উজবেকিস্তান নারী ফুটবল দল। ৩ মার্চ সিডনিতে চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসর শুরু করবে বাংলাদেশ।




