এশিয়া কাপের মঞ্চে প্রথম ম্যাচ, প্রতিপক্ষ শক্তিশালী চীন। এমন কঠিন পরীক্ষায় জাতীয় দলে অভিষেকেই গোলবারের নিচে দাঁড়িয়ে নজর কাড়লেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার। অভিজ্ঞতার ঝুলি শূন্য হলেও সাহস আর আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি রাখেননি তিনি।
ম্যাচ শেষে নিজের পারফরম্যান্সের কৃতিত্ব দিয়েছেন কোচিং স্টাফকে। মিলি বলেন, প্রথমেই তিনি ধন্যবাদ জানাতে চান কোচদের। তাঁদের সহায়তাতেই নিজের সেরাটা দেখাতে পেরেছেন বলে মনে করেন তিনি।
ম্যাচের শুরুতে কিছুটা স্নায়ুচাপে ছিলেন স্বীকার করে মিলি জানান, আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ভয় কাজ করছিল। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তিনি ছন্দে ফেরেন। আত্মবিশ্বাস নিয়েই খেলেছেন পুরো ম্যাচ। দুই গোল হজমের প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
এটি দলের ভুল ছিল, কিছু ঘাটতি ছিল, যা পরের ম্যাচে কাটিয়ে ওঠার আশা করছেন।
জাতীয় দলে নিয়মিত গোলরক্ষক রুপনা চাকমার জায়গায় সুযোগ পেয়েছিলেন মিলি। দলে জায়গা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও সিনিয়র রুপনার প্রতি তার সম্মান অটুট। মিলি বলেন,
“রুপনা অনেক অভিজ্ঞ, তাকে অনুসরণ করেন তিনি। লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ফলেই এই সুযোগ এসেছে বলে মনে করেন এই তরুণ গোলরক্ষক।”
অভিষেক ম্যাচেই বড় আসরে নিজেকে প্রমাণের ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন মিলি। সামনে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ, তবে আত্মবিশ্বাসী এই গোলরক্ষকের চোখ এখন পরের ম্যাচে ঘাটতি পুষিয়ে দেওয়ার।




