নতুন বছরের শুরুতেই কোচিং কাঠামোতে পরিবর্তন আনছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও গোলরক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য্য আবারও ফেডারেশনে যোগ দিচ্ছেন। তার সঙ্গে নতুন করে নিয়োগ পাচ্ছেন আরও তিন জন কোচ।
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও গোলরক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য্য আবারও বাফুফের কোচিং প্যানেলে যুক্ত হচ্ছেন। এর আগে তিনি বাফুফের গোলরক্ষক কোচ হিসেবে জাতীয় নারী ও পুরুষ দল এবং একাডেমিতে কাজ করেছেন। পরে নিজ উদ্যোগে ফেডারেশন ছেড়ে ক্লাব কোচিংয়ে গেলেও গত এক বছর সক্রিয় কোচিংয়ের সুযোগ পাননি। দুই বছর পর আবারও বাফুফেতে ফিরছেন তিনি।
বিপ্লবের পাশাপাশি নতুন বছরে আরও তিন জন কোচ নিয়োগ দিচ্ছে বাফুফে। তারা হলেন সাবেক জাতীয় ফুটবলার আতিকুর রহমান মিশু, আকবর হোসেন রিদন এবং নারী ফুটবলার লিনা চাকমা।
আতিকুর রহমান মিশু এর আগে ফর্টিজ ও ব্রাদার্স ইউনিয়নে সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন। তৃণমূল ফুটবলে কাজ করার আগ্রহ থেকেই তিনি ফেডারেশনে যোগ দিচ্ছেন। লিনা চাকমা নারীদের মধ্যে এ লাইসেন্সধারী কোচ। নারী ফুটবল ও ফুটসাল দুই ক্ষেত্রেই তাকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের।
এদিকে বাফুফে একাডেমির হেড কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের চুক্তির মেয়াদ গত ৩১ ডিসেম্বর শেষ হলেও তা আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে ফেডারেশন। ছোটনের পাশাপাশি ২০২৫ সালে বাফুফেতে কর্মরত আরও ২১ জন কোচের চুক্তিও এক বছর বাড়ানো হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালে বাফুফের প্যানেলভুক্ত কোচের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২৫ জনে।
ফিফা ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) থেকে পাওয়া আর্থিক অনুদানের একটি বড় অংশ ব্যয় হয় স্থানীয় কোচদের পেছনে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরবর্তী বছরের কোচদের তালিকা এএফসিতে পাঠাতে হয়।
তবে এত সংখ্যক কোচ থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত এএফসি অ-১৭ টুর্নামেন্টের বাছাইয়ে সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিকেএসপির কোচ ইমরুল। এতে ফুটবলাঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে, স্থানীয় কোচদের পেছনে প্রতিবছর বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হলেও বয়সভিত্তিক দলে সহকারী কোচ দেওয়ার মতো যোগ্যতা কি বাফুফের নিজস্ব প্যানেলে নেই? আর যদি না থাকে, তবে এই ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন থাকছে।




