এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের পথ আগেই থেমে গেছে। ‘সি’ গ্রুপ থেকে সিঙ্গাপুর ইতোমধ্যে মূল পর্ব নিশ্চিত করায় ৩১ মার্চের মুখোমুখি লড়াই এখন কেবল নিয়মরক্ষার ম্যাচ। তবে আনুষ্ঠানিকতার ম্যাচ হলেও লড়াইয়ের মানসিকতায় কোনো ঘাটতি রাখতে চান না জামাল ভূঁইয়ারা।
সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামীকাল রাতে ভিয়েতনামের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে বাংলাদেশ দল। তার আগে আজ সন্ধ্যায় কিংস অ্যারেনায় অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা আসন্ন দুই ম্যাচ নিয়ে কথা বলেছেন গণমাধ্যমের সঙ্গে।
অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া জানালেন, হংকংয়ের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচের প্রথমার্ধে যে ছন্দে খেলেছিল দল, সেই ধরণই ধরে রাখতে চান তারা।
‘আমরা হংকংয়ের বিপক্ষে প্রথমার্ধে যেমন খেলেছিলাম, সেভাবেই খেলতে চাই। ফরমেশন কিছুটা বদলাতে পারে, আজ অনুশীলনে সেটাই চেষ্টা করব,’
বলেন জামাল।
সাধারণত ম্যাচের কৌশল গোপন রাখা হলেও জামালের বক্তব্যে খানিকটা ভিন্ন আভাস মিলেছে। যদিও শেষ মুহূর্তে গোল হজমের পুরোনো সমস্যাকে বড় করে দেখতে নারাজ অধিনায়ক। তার ভাষায়,
‘এক ম্যাচে এমন হয়েছে। আমরা নিজেদের খেলায়ই বেশি মনোযোগ দিচ্ছি।’
২৬ মার্চ ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচকে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবেই দেখছেন কোচ ক্যাবরেরা। র্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলা দলের জন্য সহায়ক হবে বলেই মনে করেন তিনি।
‘সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে ভিয়েতনাম ম্যাচটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দুই ম্যাচেই জয়ের লক্ষ্য নিয়ে খেলব,’
বলেন কোচ।
এদিকে ইনজুরিতে থাকা ফরোয়ার্ড শেখ মোরসালিনের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। কোচ জানান,
“পরীক্ষার ফল ইতিবাচক এসেছে এবং কয়েক দিনের মধ্যেই অনুশীলনে ফিরতে পারবেন তিনি।”
‘সে আমাদের সঙ্গে যাচ্ছে। তিন-চার দিনের মধ্যে অনুশীলন শুরু করবে। ভিয়েতনাম ম্যাচে কতটা সময় খেলতে পারবে, সেটা দেখার বিষয়,’
যোগ করেন ক্যাবরেরা।
বিদায় নিশ্চিত হলেও সামনে দুটি ম্যাচকে গুরুত্ব দিয়েই দেখছে বাংলাদেশ দল—ফলাফল নয়, পারফরম্যান্সেই এখন নজর তাদের।




