সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে দারুণ ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে জায়গা করে নিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেছেন মানিক।

গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থাকার আত্মবিশ্বাস নিয়েই সেমিফাইনালে নেমেছিল বাংলাদেশ। শুরু থেকেই নেপালকে চাপে রাখে তারা। বল দখল আর মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নিয়ে একের পর এক আক্রমণ সাজিয়েছেন ফয়সাল-মোর্শেদরা।

এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ১১তম মিনিটে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। বক্সের সামান্য বাইরে থেকে মোর্শেদের দারুণ চিপে উড়ে এসে হেডে বল জালে জড়ান মানিক।

গোলের এক মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে একক প্রচেষ্টায় ডি-বক্সের কাছে পৌঁছে যান ইউসুফ আলি। সেখান থেকে বল পান রোনান। তিনি গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।

দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়াতে নেপালের রক্ষণে চাপ দিতে থাকে বাংলাদেশ। ৫৪তম মিনিটে সতীর্থের লং পাসে ছুটে গিয়ে ভালো জায়গায় থেকেও পা ছোঁয়াতে পারেননি জয় আহমেদ। ছয় মিনিট পর নেপালের বিজ্ঞান খাদকার ফ্রি কিক উপরের জাল কাঁপায়।

এরপর থেকে বাংলাদেশের আক্রমণের ধার কমে কিছুটা। সমতায় ফিরতে মরিয়া নেপালের আক্রমণ সামলে পাল্টা আক্রমণে মনোযোগী হয় দল। ৮০তম মিনিটে সুযোগও এসেছিল, কিন্তু সতীর্থের কাটব্যাক গোলমুখে পাওয়ার পর ডিফেন্ডারের চার্জে ভারসাম্য হারিয়ে শটই নিতে পারেননি স্যামুয়েল রাকস্যাম।

৮৭তম মিনিটে বদলি নামেন ডেকলান সুলিভান। লাল সুবুজের জার্সিতে ভাই রোনানের অভিষেক হয়েছিল আগেই, এবার ডেকলানেরও হলো। একটু পরই অনুভব পুরির দুরপাল্লার জোরাল শট শুয়ে পড়ে আটকে বাংলাদেশকে স্বস্তিতে রাখেন ডিফেন্ডার ইউসুফ আলি।

দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে রোনানের পাসে গোলমুখ থেকে সুমন সরেনের শট নেপাল গোলকিপার ফেরালে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়নি। কিন্তু স্বস্তির জয়ে ফাইনালে ওঠার আনন্দে ঠিকই মেতে ওঠে বাংলাদেশ।

ফলে মানিকের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ফাইনালে উঠে যায় বাংলাদেশ।

Previous articleলড়েও হার, তবু আশার কথা শুনালেন ক্যাবরেরা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here