২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিশ্বভ্রমণে বেরিয়েছে বিশ্বকাপ ট্রফি। সেই যাত্রার অংশ হিসেবে আজ ঢাকায় এসেছে ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত এই ট্রফি। বিমানবন্দরে ট্রফি অবতরণের পর খুব কাছ থেকে তা দেখার সুযোগ পান বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। সঙ্গে ছিলেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার গিলবার্তো সিলভা—যা জামালের অভিজ্ঞতাকে করে তোলে আরও স্মরণীয়।
বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি দেখা যে কোনো ফুটবলারের স্বপ্নের মতো। সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবে ছুঁয়ে দেখলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। ঢাকায় বিশ্বকাপ ট্রফি পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে ট্রফির সঙ্গে সময় কাটান তিনি।
বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলিয়ান তারকা গিলবার্তো সিলভার উপস্থিতি জামালের অনুভূতিকে করেছে আরও গভীর। অভিভূত কণ্ঠে জামাল বলেন,‘এক্সপেরিয়েন্স জোস ছিল, টু বি অনেস্ট। গিলবার্তো আসছে উইথ দ্য ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি। সো এটা মাই ফার্স্ট টাইম সিইং দ্য ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি। আমার খুব ভালো লাগছে।”
জাতীয় দলের অধিনায়ক হয়েও ট্রফি নিয়ে নিজের কৌতূহল লুকাননি জামাল। ট্রফির আকার ও ওজন নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে তিনি বলেন,‘আমি তো মনে করছি ট্রফি একটু ছোট, বাট এটা আসলে অনেক বড়। আর জিজ্ঞেস করছি মানে ওয়েট কেমন? সো অলমোস্ট ৭ কেজি পিওর গোল্ড। সো এক্সপেরিয়েন্স খুব ভালো ছিল।’
বিশ্বকাপ ট্রফির বাংলাদেশ সফর নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন জামাল। তাঁর ভাষায়,‘যেহেতু ট্রফি আসছে বাংলাদেশ, লেট দিস বি অ্যান ইন্সপিরেশন টু অল দ্য ফুটবলার্স যারা হার্ড ওয়ার্ক করতে পারে, প্র্যাকটিস… হুএভার ওয়ান্টস টু বি আ ফুটবলার। বাট দিস ট্রফি, আমি মনে করি আরও মোটিভেশন আসবে।’
ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের সমর্থক জামাল ভূঁইয়া। তাই ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য গিলবার্তো সিলভাকে কাছে পেয়ে তাঁর আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন,‘আমি ছোটবেলা থেকে ব্রাজিলকে ফলো করছি কারণ আমার ফার্স্ট ফেভারিট প্লেয়ার ছিল রোনালদো। স্পেশালি ২০০২ সালের টিমটা আমাকে অনেক ইন্সপায়ার করেছে। ওই সময় আমার বয়স ছিল ১২ বছর। অফকোর্স আমি চাই ডেনমার্ক, কারণ ডেনমার্কে আমার জন্ম। বাট ডেনমার্ক যদি না পারে, দেন অফকোর্স আমি চাই ব্রাজিলের হাতে বিশ্বকাপ দেখতে চাই।’
বিশ্বকাপ ট্রফির এই সংক্ষিপ্ত সফর বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমী ও খেলোয়াড়দের মনে নতুন স্বপ্ন ও অনুপ্রেরণার আগুন জ্বালিয়ে দেবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার।




