৩ জানুয়ারি প্রথম লেগ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ বিরতিতে পড়েছিল দেশের শীর্ষ স্তরের ফুটবল। অবশেষে ফেডারেশন লিগের দ্বিতীয় লেগ ও ফেডারেশন কাপের বাকি সূচি প্রকাশ করেছে। তবে নতুন সূচিতে খেলায় ছন্দ ফেরার আগেই আবার বিরতি থাকায় ক্লাবগুলোর মধ্যে হতাশা বাড়ছে।
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের দ্বিতীয় লেগ শুরু হচ্ছে ৬ মার্চ। প্রায় দুই মাসের বিরতির পর লিগ ফিরলেও খুব বেশি দিন খেলা চলবে না। দুই রাউন্ড শেষ হওয়ার পর জাতীয় দলের প্রস্তুতির জন্য আবার বিরতি রাখা হয়েছে।
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরে। ওই ম্যাচকে সামনে রেখে স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা ১৫ মার্চ থেকে জাতীয় দলের অনুশীলন শুরু করতে চান। এ কারণে ১৪ মার্চের পর লিগের কোনো ম্যাচ রাখা হয়নি।
সূচি অনুযায়ী, লিগ শুরু হওয়ার পর মাত্র দুই ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে দলগুলো। তৃতীয় ম্যাচ খেলতে অপেক্ষা করতে হবে প্রায় ২৮ দিন। এই দীর্ঘ বিরতিতে ক্লাবগুলোর আর্থিক চাপ বাড়ছে বলে অভিযোগ।
ব্রাদার্স ইউনিয়নের ম্যানেজার আমের খান সূচি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “৩১ জানুয়ারি মধ্যবর্তী দলবদল শেষ হয়েছে। ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমাদের চুক্তি কার্যকর। কিন্তু পুরো ফেব্রুয়ারি খেলা নেই, তবু বেতন দিতে হচ্ছে। আবার মার্চে দুই ম্যাচ খেলে বসে থাকতে হবে। ক্লাবগুলোর খরচ চলছেই, ফেডারেশন বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না।”
১০ এপ্রিল লিগ পুনরায় শুরু হলে এরপর আর কোনো বিরতি থাকবে না। ২৩ মে লিগ শেষ করার পরিকল্পনা। লিগের ম্যাচগুলো প্রতি সপ্তাহে শুক্র ও শনিবার অনুষ্ঠিত হবে, আর ফেডারেশন কাপের ম্যাচ থাকবে মঙ্গলবার।
ফেডারেশন কাপেও রয়েছে দীর্ঘ বিরতি। ১০ মার্চ ম্যাচ হওয়ার পর প্রায় এক মাস খেলা বন্ধ থাকবে। ৭ এপ্রিল পুনরায় শুরু হয়ে ১৯ মে ফেডারেশন কাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
জাতীয় দল ও ঘরোয়া লিগের এই সমন্বয়হীন সূচি নিয়ে ক্লাবগুলোর প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—খেলার ধারাবাহিকতা আর আর্থিক বাস্তবতা, কোনটা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে?




