প্রবাসী সমর্থকদের জোরালো সমর্থন আর শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল—সবকিছুই ছিল বাংলাদেশের পক্ষে। তবু খেলার ধারার বিপরীতে প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোল হজম করে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে হলো হাভিয়ের কাবরেরার দলকে।
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে নিজেদের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের জাতীয় স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। প্রথমার্ধ শেষে স্বাগতিক সিঙ্গাপুর ১-০ গোলে এগিয়ে।
একাদশে দুটি পরিবর্তন এনে দল সাজান কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে খেলা মেহেদী হাসান শ্রাবণের জায়গায় পোস্টে ফেরেন নিয়মিত গোলরক্ষক মিতুল মারমা। আক্রমণভাগে মিরাজুল ইসলামের বদলে সুযোগ পান শেখ মোরসালিন। আগের ম্যাচের মতো এবারও একাদশে জায়গা হয়নি জামাল ভূঁইয়ার।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে, তবে গোলের পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না কেউই। সপ্তম মিনিটে ফাহামিদুলের ডান দিক থেকে আসা ক্রস ক্লিয়ার করেন হারিস স্টুয়ার্ট। ১৫ মিনিটে সাদউদ্দিনের ক্রসে শোমিতের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
২০ মিনিটে ইকসান ফান্দির জোরাল শট ঠেকান মিতুল। এরপর রিহান স্টুয়ার্টের বিপজ্জনক ক্রসও সামাল দেন তিনি। ২৪ মিনিটে সোহেল রানার দূরপাল্লার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।
৩১তম মিনিটে এগিয়ে যায় সিঙ্গাপুর। মাঝমাঠ থেকে আসা বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গ্লেইন কিউইর শট মিতুল ঠেকালেও বল পুরোপুরি সরাতে পারেননি। ফিরতি বলে ইকসান ফান্দি পাস দেন হ্যারিসকে, যিনি নিখুঁত শটে জালে বল জড়ান।
৩৯তম মিনিটে সমতায় ফেরার বড় সুযোগ পায় বাংলাদেশ। মোরসালিনের শট ব্লক হওয়ার পর বল পেয়ে যান ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, কিন্তু শট নেওয়ার আগেই ডিফেন্ডারের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে যান। পেনাল্টির দাবি তুললেও সাড়া মেলেনি। এরপর হামজার ফ্রি-কিক থেকে হেড ফিরিয়ে দেন ডিফেন্ডার, আর সাদউদ্দিনের শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে থেকে ইতোমধ্যে মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে সিঙ্গাপুর। প্রথম লেগে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতেছিল তারা। অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে আগেই বাছাই থেকে ছিটকে যাওয়া বাংলাদেশের সামনে এখন শেষ ম্যাচটা ভালোভাবে শেষ করার চ্যালেঞ্জ।




