দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয়করণ থেকে মুক্ত রাখার প্রত্যয় জানিয়ে ঐতিহ্যবাহী আবাহনী লিমিটেড পরিদর্শন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। শনিবার বিকেলে ক্লাব প্রাঙ্গণে গিয়ে তিনি ক্রীড়া পরিবেশকে স্বাধীন ও পেশাদার রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।
এর আগে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব পরিদর্শনের ধারাবাহিকতায় এবার আবাহনীতে যান প্রতিমন্ত্রী। সেখানে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর থেকেই আবাহনী-মোহামেডানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেশের ফুটবলের ঐতিহ্যের অংশ। তবে গত ১৭ বছরে এই ক্লাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে, যা দুঃখজনক।”
বর্তমান সরকার সেই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে ক্লাবগুলোকে স্বাধীনভাবে পরিচালনার পরিবেশ তৈরি করতে চায় বলেও জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, “আবাহনীর ম্যানেজমেন্ট নতুনভাবে সাজানো হলে ফুটবল, ক্রিকেটসহ অন্যান্য খেলায় ক্লাবটি আবারও তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে।”
যুব সমাজকে বিপথগামিতা ও ডিজিটাল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও মাঠের বাইরে ক্লাবগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকা জরুরি। এসময় মোহামেডানের কর্মকর্তাদের আবাহনী সফরে উপস্থিতিকে তিনি স্পোর্টসম্যানশিপের ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।”
ক্লাবগুলোর টিকে থাকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ক্লাব বাঁচলে খেলোয়াড়ও বাঁচবে। সরকার সব ধরনের ক্লাবকে টেকসই সহায়তা দিতে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ৩০০ খেলোয়াড়কে ক্রীড়াভাতার আওতায় আনা হয়েছে, যা আগামী অর্থবছরে ৫০০ জনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।”
এসময় উপস্থিত ছিলেন তামিম ইকবাল, অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, শেখ বশির আহমেদ মামুন, লোকমান হোসেন ভূঁইয়াসহ ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন




