ম্যাচজুড়ে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও গোলের দেখা পায়নি আবাহনী লিমিটেড। একের পর এক সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে শেষ পর্যন্ত পিডব্লিউডি এফসির কাছে ১-০ গোলে হেরে ফেডারেশন কাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে আকাশি-হলুদদের। অপর দিকে রহমতগঞ্জ ও ফকিরেরপুল ম্যাচ গোল শূন্য ড্র হয়েছে।
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় মঙ্গলবার ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে গতবারের রানার্সআপ আবাহনীকে হারিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নেয় পিডব্লিউডি। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে ৬৫তম মিনিটে, স্কোরশিটে নাম তোলেন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
এই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে পিডব্লিউডি। তবে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটি ও ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবের ম্যাচটি গোল শূন্য ড্র হওয়াতে সমান ৬ পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানে শেষ আট নিশ্চিত করেছে রহমতগঞ্জ। অন্যদিকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে আগেই শেষ আট নিশ্চিত করেছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষ লড়াইয়ে থাকা আবাহনীর জন্য ফেডারেশন কাপের আসরটা ছিল হতাশার। চার ম্যাচে মাত্র এক জয় ও এক ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে চতুর্থ হয় তারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে আবাহনী। ১০ম মিনিটে কাজেম শাহ কিরমানির জোরালো শট কর্নারে পাঠান পিডব্লিউডির গোলরক্ষক সারোয়ার জাহান। ২২তম মিনিটে আল আমিন একা গোলকিপারকে পেলেও তার দুর্বল চিপ শট রুখে দেন সারোয়ার।
এরপর ৩০তম মিনিটে শেখ মোরসালিনের শটও দারুণ দক্ষতায় ঠেকান এই গোলকিপার। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোল না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়েই বিরতিতে যায় আবাহনী।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ৬৫তম মিনিটে আলি উজাইরের পাস থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে আবু সাইদের কাটব্যাক পেয়ে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান আব্দুল্লাহ।
গোল হজমের পর মরিয়া হয়ে ওঠে আবাহনী। ৭৮তম ও ৮৬তম মিনিটে শেখ মোরসালিনের ক্রস থেকে সুযোগ পেলেও মিরাজুল ইসলাম বলের নাগাল পাননি। যোগ করা সময়ে সুলেমানে দিয়াবাতের শট ব্লক হয়, এরপর তার হেডও লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে শেষ হয়ে যায় আবাহনীর আশা।
রেকর্ড ১২বারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী তাই এবার গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়ে।




