অ-২০ এশিয়া কাপে অভিষেক ম্যাচে দারুণ সূচনা করেও শেষ পর্যন্ত হতাশা সঙ্গী হলো বাংলাদেশের। মোসাম্মৎ সাগরিকার জোড়া গোলে ৬৯ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থাকা দলটি শেষ দিকে তিন গোল হজম করে থাইল্যান্ডের কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরে যায়।
ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে আক্রমণভাগে ধারালো উপস্থিতি দেখিয়ে জোড়া গোল করেন সাগরিকা। তার এই পারফরম্যান্সে ম্যাচের বড় সময় পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে ছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬৯ মিনিট পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও এরপর হঠাৎ করেই ছন্দ হারায় বাংলাদেশ। এক গোল হজমের পরই মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়ে দল। সেই সুযোগে ম্যাচে ফিরে আসে থাইল্যান্ড, একের পর এক আক্রমণে আরও দুই গোল করে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় তারা।
জোড়া গোল করেও দলের হার মেনে নিতে কষ্ট হয়েছে সাগরিকার,
‘থাইল্যান্ড অনেক ভালো দল। আমরাও প্রথমার্ধে ভালো খেলেছি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সেটা ধরে রাখতে পারিনি। একটা গোল খাওয়ার পর সবার মানসিকতা একটু খারাপ হয়ে যায়। তারপরও চেষ্টা করেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারিনি।’
অভিষেক ম্যাচেই দুই গোল করে ব্যক্তিগতভাবে উচ্ছ্বসিত এই তরুণ ফরোয়ার্ড,
‘প্রথম ম্যাচে দুইটা গোল করতে পেরে খুব ভালো লাগছে। টিমমেটরা সাপোর্ট না করলে এটা সম্ভব হতো না। সামনে আমরা আরও ভালো করার চেষ্টা করব, ইনশা আল্লাহ ভালো ফল নিয়ে ফিরতে চাই।’
এদিনের হারে হতাশা থাকলেও দলের পারফরম্যান্সে সম্ভাবনা দেখছেন কোচিং স্টাফ। সহকারী কোচ আবুল হোসেন বলেন,
‘৭০ মিনিট পর্যন্ত আমরা দুই গোলে এগিয়ে ছিলাম। কিছু ছোট ভুলের কারণেই ম্যাচটা হাতছাড়া হয়েছে। এমন ভুল সবসময় হয় না।’
সাফ পর্যায়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়া সাগরিকা এবার এশিয়ার মঞ্চেও সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিলেন। কোচিং স্টাফের বিশ্বাস, ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে এই ফরোয়ার্ডই ভবিষ্যতে বড় ভরসা হয়ে উঠতে পারেন বাংলাদেশের নারী দলের জন্য।




